Covid-19 এর আগে এবং পরে প্রিন্টারের বাজারে বড় একটি পরিবর্তন এসেছে। Covid-19 এর আগে কম্পিউটার বাজারগুলো মূলত এক চেটিয়া রাজস্ব করেছে HP, Canon এবং Epson কোম্পানীগুলো। কিন্তু করোনা পরবর্তী সময়ে পণ্যের অপর্যাপ্ততায় বাজার দখল করেছে Brother, Pantum সহ নানা প্রিন্টার বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠানগুলো।
প্রিন্টার নিয়ে Canon, HP, Epson প্রিন্টারগুলো জনপ্রিয়তার কারণ ব্লগটি দেখে নিন। এতে বর্ণনা করা হয়েছে কেন এই প্রিন্টারগুলো সাধারণত ব্যবহারকারীরা বেশি ক্রয় করে থাকে। সাধারণত টোনারগুলোর স্টিকারেই টোনার মডেল লিখা থাকে, তবে টোনারের স্টিকারে প্রিন্টারের মডেল বা নাম লিখা থাকে না। প্রতিটি প্রিন্টার বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠান প্রিন্টারের পাশাপাশি টোনার মডেল প্রকাশ করে। এই যেমন বহুল প্রচলিত Canon LBP 6030 প্রিন্টারটি যে টোনার মডেল সাপোর্ট করে ঠিক ওই মডেলের টোনারই HP Laserjet P1102 এ ব্যবহার করা যায়। লক্ষ্যনীয় যে, প্রিন্টারের মডেলের পাশাপাশি যে টোনারগুলো রয়েছে সেগুলো বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের একই রকম হয়ে থাকে।

বাজারে অরিজিনাল টোনারের পাশাপাশি অনেক চায়না স্বল্পমূল্যে প্রায় প্রতিটি কম্পিউটার রিটেইল প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যায়। তবে নিম্নমানের কালি এবং সাধারণ টোনার বডির হওয়ার কারণে প্রিন্টার খুব দ্রুতই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও অরিজিনাল বা জেনুইন টোনারে প্রিন্টিং মান ভালো এবং কাগজের কালির মান উন্নত থাকায় দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়।
প্রায়ই আমাদের যে সমস্যায় ভুগতে হয়, তা হলো প্রিন্টারের টোনার কিনতে গিয়ে আমরা মডেল সম্পর্কে অবগত থাকি না। ফলে কিনতে গিয়ে ফেরত আসি বা ভুল মডেল কিনে নিয়ে আসি। আমাদের এ ব্লগের নিচেই আমরা একটি পিডিএফ ফাইল সংযুক্ত করেছি এতে HP, Canon, Samsung এবং Brother প্রিন্টারের মডেল এবং কোন প্রিন্টারে কোন টোনার মডেল সাপোর্ট করবে তার একটি তালিকা দেয়া হলো। এটি ডাউনলোড করে রাখতে পারেন। পিডিএফ ফাইলে বর্ণনা করা হয়নি এমন আরো অনেক প্রিন্টার রয়েছে। যেমন- Dell, Pantum, Xroxসহ ইত্যাদি। সম্প্রতি HP কোম্পানী Samsung প্রিন্টারকে ক্রয় করার পর অনেক মডেল হয়তো পরিবর্তন হয়ে আসতে পারে।
