স্বল্প খরচ এবং অল্প খরচে আমাদের পণ্য বা ডকুমেন্টগুলো এক জেলা থেকে অন্য জেলায় আদান প্রদান করার জন্য আমরা কুরিয়ার সার্ভিসগুলো ব্যবহার করে থাকি। ঢাকা থেকে কাছাকাছি জেলাগুলো থেকে আজকে পণ্য বুকিং করে পরের দিনই পণ্যগুলো পেয়ে যাচ্ছি। আর ঢাকা থেকে দূরে পণ্যগুলো একদিন বা দু’দিন বেশি সময় লাগে। সাধারণত আমরা পণ্য বুকিং করা থেকে বুকিং গ্রহন করার আগ পর্যন্ত জানতে পারতাম না পণ্য কোথায় কি অবস্থায় আছে বা পণ্যটি এসে পৌছেছে কি না।
বাংলাদেশের প্রথম সারির জনপ্রিয় কুরিয়ার সার্ভিস সুন্দরবন কুরিয়ার। প্রতিদিন সর্বাধিক পণ্য এ কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি সরবরাহ করে থাকে। এছাড়াও সময়ের সাথে সাথে তাদের রয়েছে আকর্ষনীয় কুরিয়ার সেবা। এছাড়াও রেইনবো, কন্টিনেন্টাল বেশ পুরোনো প্রতিষ্ঠান। নতুনদের মধ্যে এজেআর, জননী, সওদাগর ইত্যাদি।
কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানগুলোতে টেকনোলজি ব্যবহার ইদানিং দেয়া যাচ্ছে। ওয়েব লাইভ ট্রেকিং, তাৎক্ষনিক এসএমএস সেবা ইত্যাদি যুক্ত হচ্ছে কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোতে। সঠিক গ্রাহক নিশ্চিত করতে চালু রয়েছে ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড)। এতে সঠিক পণ্য সঠিক গ্রাহকের কাছে পৌছে যাচ্ছে।
জনাব ফিরোজ। একটি কম্পিউটার প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেন। সপ্তাহের তিন থেকে চারদিন কম্পিউটারের বিভিন্ন পণ্য গ্রহন করেন। প্রায় সব পণ্যই আসে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে। ইদানিং কালের কুরিয়ার সার্ভিসগুলো সম্পর্কে তিনি জানান- গতকালের পাঠানো পণ্যগুলো বুকিং হয়েছে কি না তা এসএমএস কিংবা ওয়েব লিঙ্ক থেকে জানতে পারছি। এতে সুবিধা হচ্ছে পণ্য আগামিকাল আসছে সেটা সম্পর্কে অবগত হতে পারছি। এছাড়াও কুরিয়ারগুলোতে রয়েছে কন্ডিশন সিস্টেম। ফলে পণ্য হাতে পাওয়ার পর নগদ প্রদান করলেই হয়।
