আইপি ক্যামেরা দিয়ে সিসি ক্যামেরা প্রজেক্ট সাবমিট করার পর প্রায়ই একটা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। আর সেটা হলো- ক্লায়েন্টর প্রতি উত্তর মূল্য তো অনেক বেশি দিয়ে দিয়েছেন। এখানে ক্লায়েন্ট সাধারণত ক্যামেরা যাকে আমরা এইচডি অ্যানালগ (HD Analogue) ক্যামেরাকে আইপি ক্যামেরার সাথে গুলিয়ে ফেলেন। প্রথমে চলুন দেখে নেই আইপি ক্যামেরা এবং এইচডি আইপি ক্যামেরা দেখতে কেমন!! Analogue Camera এবং IP Camera কিন্তু এক নয়!!! কিন্তু কেন?

দুটো লাল বৃত্ত দেখতে পাচ্ছেন। এর ভেতর দুটো পোর্ট রয়েছে। প্রথম ছবিটি আইপি ক্যামেরা। যেখানে ইন্টারনেট কানেক্টর পোর্ট দেখতে পাচ্ছেন। দ্বিতীয়টি অ্যানালগ এইচডি ক্যামেরা। চলুন এবার দেখে নেই IP Camera টেকনোলজি এবং HD Analogue টেকনোলজি।
আইপি ক্যামেরা টেকনোলজি

আইপি টেকনোলজির ক্ষেত্রে প্রতিটি আইপি ক্যামেরা আলাদা আলাদা করে আইপি বরাদ্দ পায় যেমন- 192.168.0.101 এভাবে ২০টি ক্যামেরায় আইপি রেঞ্জ 192.168.0.101 থেকে 192.168.0.120 পর্যন্ত। অর্থ্যাৎ আইপি ক্যামেরা কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং টোপোলজীর মাধ্যমে কাজ করে থাকে। এখানে প্রতিটি আইপি ক্যামেরায় ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ড থাকবে। উক্ত ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ড যদি ভুল হয়ে থাকে, তাহলে ডিসপ্লেতে ক্যামেরা দেখা যাবে না। আইপি ক্যামেরার মূল্য এইচপি অ্যানালগ ক্যামেরার প্রায় দ্বিগুন। এখানেই মূলক ক্লায়েন্টরা ভুল করে থাকেন। ২ মেগা পিক্সেল অ্যানালগ ক্যামেরার মূল্য যদি হয়ে থাকে ১৬০০ – ২০০০ অন্যদিকে আইপি ক্যামেরা ২ মেগা পিক্সেল ক্যামেরার মূল্য হয়ে থাকে ৩৩০০ – ৪৫০০ টাকা পর্যন্ত।
অ্যানালগ ক্যামেরা টেকনোলজি

ছবি দেখে হয়তো বুঝতে পেরেছেন আইপি ক্যামেরা টেকনোলজি এবং অ্যানালগ টেকনোলজির মধ্যে পার্থক্য মূলত কি কি। অ্যানালগ ক্যামেরার ক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যামেরার জন্য দুটো সংযোগ ডিভিআর পর্যন্ত নিয়ে যেতে হয়। এভাবে যদি ২০টি ক্যামেরা হয়ে থাকে, তাহলে ২০টি ক্যামেরার জন্য ৪০টি ক্যাবল ডিভিআর পর্যন্ত নিয়ে যেতে হবে। এতে সমস্যা হচ্ছে ক্যাবলের পরিমাণ বেশি হয়ে গেছে ক্যামেরা হতে প্রাপ্ত ভিডিও কোয়ালিটি নিম্নমান হতে থাকে। ক্যামেরা ডিসপ্লেতে ঝিঁরিঝিঁরি বা টেউ আসতে পারে। এ সমস্যাগুলো থেকে তুলনামূলক সমস্যা কম পেতে খুবই ভালো মানের তামার ক্যাবল ব্যবহার করতে হবে। উন্নত মানের বা বেশি তামাযুক্ত ক্যাবলের মূল্যও কিন্তু অনেক বেশি।
