সারা বাংলাদেশে সরকারি ইন্টারনেট প্রদান করে থাকে বিটিসিএল। BTCL হচ্ছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড। সরকারি যত ধরণের আইটি সার্ভিস রয়েছে সবগুলোর রক্ষণাবেক্ষন বা সমন্বয়ের কাজগুলো বিটিসিএল করে থাকে। আজকে আমরা আলোচনা করব বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড এর ইন্টারনেট সম্পর্কে।
বিটিসিএল সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করতে হয়-
১. রেজিস্ট্রেশন : আবেদনকারীকে অবশ্যই অনলাইনে বিটিসিএল এর ওয়েবসাইটে www.mybtcl.btcl.gov.bd থেকে ইমেইল অ্যাড্রেস এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। এই পোর্টালের মাধ্যমে আবেদনকারীর নতুন সংযোগের জন্য আবেদন করবেন। আবেদন করা থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি কাজে এ পোর্টালের প্রয়োজন পড়বে। যেমন- আবেদন শেষে অগ্রগতি, ইন্টারনেটের প্যাকেজ সম্পর্কে ধারণা, বিল প্রদান, কমপ্লেইন জানানোসহ অনেক কাজই রয়েছে এখানে।
অবশ্যই GPON বাছাই করতে হবে। জিপন হচ্ছে ফাইল ক্যাবল সংযোগ। অন্যদিকে ADSL না কিন্তু। এ সংযোগটি পুরাতন সংযোগের মাধ্যমে প্রদান করা হয়ে থাকে এবং এতে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়।
২. সংযোগের জন্য আবেদন : পোর্টালের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার পর লগিন করার প্রয়োজন পড়বে। এরপর Service থেকে New Connection Application ক্লিক করতে হবে। পরবর্তীতে পেইজে যে ধরণের তথ্যগুলো তাইবে সেগুলো সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। আবেদনের সময় ইন্টারনেট এবং টেলিফোন আলাদা আলাদা আবেদন করতে পারবেন। প্রয়োজন হলে টেলিফোন এবং ইন্টারনেট একই সাথে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে রাউটার থেকে টেলিফোনের সংযোগ প্রদান করা হবে। সংযোগ গ্রহনকারীর ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের প্রথম পাতা এবং দ্বিতীয় পাতা আলাদা আলাদা করে অনলাইনে আপলোড করতে হবে। এখানে লক্ষ্যনীয় ব্যাপার এই যে, পুরো ফর্মটি পূরণ শেষে I Have Read and Accepted Terms & Conditions and Privacy Policy টিকমার্ক করতে গেলে মার্কটি কাজ করবে না। অবশ্যই সবুজ রঙ বাক্যটি ক্লিক করে শর্তগুলো একবার দেখে নেন এবং ফেরত আসলে তখন টিকমার্ক কাজ করবে। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রিপেইড এবং পোস্টপেইড সংযোগ। আবেদনের সময় খেয়াল করতে হবে যে, অবশ্যই GPON বাছাই করতে হবে। জিপন হচ্ছে ফাইল ক্যাবল সংযোগ। অন্যদিকে ADSL না কিন্তু। এ সংযোগটি পুরাতন সংযোগের মাধ্যমে প্রদান করা হয়ে থাকে এবং এতে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়।

৩. আবেদন গ্রহন ও ডিমান্ডনোট প্রদান : আপনার আবেদন যথাযথভাবে পূরণ করার পর বিটিসিএল এর জেলা অফিস থেকে আপনার আবেদনটি গ্রহন করবে এবং একজন লাইনম্যান দিয়ে আপনার স্থান থেকে সংযোগের টাওয়ারটি সার্ভে করবে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ডিমান্ডনোড তৈরি হলে সেটার অর্থ প্রদান করুন।
৪. পেমেন্ট : সরাসরি পোর্টাল থেকে অর্থ প্রদান করতে পারেন বিকাশ কিংবা নগদ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। বর্তমানে এ দুটো প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে আপনাদের স্ব স্ব ব্যাংকিং অ্যাপ থেকেও এ অর্থ বিল আকারে প্রদান করতে পারেন।
৫. সবশেষে সংযোগ প্রদান : সংযোগের অর্থ প্রদান করার জন্য আপনার কাঙ্খিতস্থানে ইন্টারনেট প্রদান করা হবে।
আরো কিছু তথ্য :
১. ৫ এমবিপিএস ইন্টারনেট স্পিডের উপরের যে কোন প্যাকেজ নিলেই বিটিসিএল কর্তৃক একটি রাউটার ফ্রি প্রদান করা হবে। এই রাউটারেই রয়েছে ইন-বিল্ড অনু। ফলে আলাদা অনু বা রাউটার ক্রয় করতে হবে না। এ রাউটার থেকে টেলিফোন সংযোগও দেয়া হয়ে থাকে।
২. সাধারণত ৫০ মিটারের মতো ক্যাবল ফ্রি দেয়া হয়ে থাকে। তবে অনেক জেলাতেই এর চেয়ে বেশি লাগলেও বাড়তি অর্থ দিতে হয় না।
৩. myBTCL অ্যাপ রয়েছে যা কি না অ্যান্ড্রোয়েড এবং আইফোন ওএস থেকে চালানো যায়। এছাড়া ওয়েবপোর্টাল তো রয়েছেই। এই অ্যাপের মাধ্যমেই সরাসরি কমপ্লেইন জানানো যায়।
৪. বিল প্রদান
