চমৎকার একটা পণ্য নিয়ে আজকে আমরা গল্প করবো। এটি একটি আইপি ক্যামেরা। CCTV বলতে আমরা বুঝি অনেক টাকা খরচ, DVR, HDD, Cableসহ ইত্যাদি। আপনারা যারা ছোট পরিসরে ক্যামেরা ব্যবহার করতে চাইছেন তাদের জন্য EZVIZ H6C আইপি ক্যামেরাটি। চলুন ক্যামেরাটি দেখি তারপর এ ক্যামেরার সুবিধা এবং ফিচার নিয়ে কথা বলব।

যে স্পেশাল ফিচারগুলোর জন্য এ ক্যামেরাটি সেরা :
| FHD 1080p (2MP) | MicroSD Slot (up to 256 GB) | Wi-Fi 2.4 GHz & RJ-45 Port |
| View from Anywhere | Smart Night Vision with Smart IR (up to 10m / 33ft.) | Motorized Pan and Tilt 360° Visual Coverage |
| Sleep Mode for Privacy Protection | Motion Detection | Smart Tracking |
| Two-way Talk | Motorized Pan and Tilt 360° Visual Coverage | Desktop Application |

স্পেসিফিকেশন :
| ক্যামেরা মডেল | : CS-C6N-A0-1C2WFR |
| ইমেজ সেন্সর | : 1/4″ Progressive Scan CMOS |
| লেন্স | : 4mm@ F2.4, view angle: 85° diagonal, 75° horizontal, 45° vertical |
| নাইট সেন্সর | : IR-cut filter with auto-switching |
| ভিডিও কনপ্রেসর | : H.264 |
| রেজুলেশান | : 1920 × 1080 |
| অ্যালার্ম | : মোশন ডিটেকশন |
| স্টোরেজ | : মাইক্রোএসডি (সর্বোচ্চ ২৫৬জিবি) |
| পাওয়ার ক্যাবল | : মাইক্রো ইউএসবি 5V/1A |
| ক্যাবল নেটওয়ার্ক | : RJ-45 |
| ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক | : IEEE802.11 b/g/n, 2.4 GHz ~ 2.4835 GHz, 64/128-bit WEP, WPA/WPA2, WPA-PSK/WPA2-PSK |
| আইআর ফোকাস | : ৩২.৮১ ফুট পর্যন্ত |

স্মার্টফোন অ্যাপ থেকে যে সুবিধাগুলো পাবেন :
| ১. লাইভ ভিউ |
| ২. অডিও রিসিপশন |
| ৩. অ্যালার্ম |
| ৪. ভিডিও রেকর্ড |
| ৫. 8X জুম |
| ৬. স্মার্ট হোম সেবা |

ক্যামেরা বক্সের ভেতর যা যা থাকছে :
| ১. 2MP ক্যামেরা ১টি |
| ২. অ্যাডেপ্টার ১টি |
| ৩. ডিসি ক্যাবল ১টি |
| ৪. ওয়াল মাউন্ট ১টি |
| ৫. স্ক্রু ও রয়াল প্লাগ ৬টি |
| ৬. মেনুয়াল ১টি |

EZVIZ H6C ক্যামেরা দিয়ে আপনি যা যা করতে পারবেন-
১. ক্যামেরাটিকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে (ক্যাবল কিংবা ওয়াইফাই) সংযোগ দেয়া পর মোবাইলের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোন স্থান থেকে লাইভ দেখতে পারবেন।
২. 2MP (MegaPixel) ক্যামেরা ভিডিও কোয়ালিটি। তাই ভিডিও কোয়ালিটি অনেক স্পষ্ট ও সুন্দর।
৩. ক্যামেরাটি উন্নত প্রযুক্তির নাইট মুডি রয়েছে।
৪. এ ক্যামেরাটিকে মোবাইলের মাধ্যমে 180 Degree ভিডিওতে দেখা যায়। মোশন সেন্সর চালু চালু থাকলে ফেইস অটো ডিটেক্ট করবে।
৫. প্যানারোমা ছবি তোলা যায়।
৬. ক্যামেরা যে স্থানে আছে ওই স্থানের সাউন্ড শোনা যায়। এবং আপনিও কথা বললে ক্যামেরার পাশের ব্যক্তি আপনার কণ্ঠ শুনতে পাবে। অর্থ্যাৎ Two-Way তে কথা বলা যাবে। ইন্টারনেট সংযোগ ভালো হলে যা কি না একদমই স্পষ্ট।
৭. ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে সংযোগ দেয়া যায় বলে ঘরের যে কোন স্থানে রাখা যায়।
৮. এতে 128GB পর্যন্ত মেমোরি কার্ড সংযোগ দেয়া যায়। এছাড়াও এতে আছে ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধা।
৯. ক্যামেরাটি দেখতেও আকর্ষণীয়।
১০. ক্যামেরাটির সিকিউরিটি অত্যন্ত স্ট্রং। তাই আপনার ভিডিও স্থান থাকবে নিরাপদ।
১১. তাৎক্ষনিক মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ভিডিও রেকর্ডিং ও ছবি সংরক্ষণ।
১২. এতে 256GB দিয়ে প্রায় ২০দিন ভিডিও রেকর্ড থাকে।
১৩. ৩০০০ টাকা মূল্যের ভেতর হয়ে থাকে। মেমোরি কার্ড আলাদা ক্রয় করতে হয়।
১৪. এতে রয়েছে
কিছু অসুবিধা :
১. সরাসরি মনিটর বা টিভিতে ভিডিও সংযোগ দেয়া যায় না বলে, সরাসরি ডিসপ্লে করা যায় না।
২. ক্যামেরার ভেতর মেমোরি কার্ড হওয়াতে, যদি ক্যামেরাসহ চুরি হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে কোন ভিডিও পাওয়া যায় (যদি না ক্লাউড স্টোরেজ চালু না থাকে)।
৩. 256GB এর বেশি স্টোরেজ ব্যবহার করা যায় না।
EZVIZ C6N আইপি ক্যামেরাটি সম্পৃক্ত পোস্ট :
১. EZVIZ C6N আইপি ক্যামেরার ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন!
২. EZVIZ C6N স্মার্টফোনে যেভাবে সংযোগ করবেন!
